Showing posts with label Bangladesh Perspective. Show all posts
Showing posts with label Bangladesh Perspective. Show all posts

Tuesday, February 28, 2017

জেনে নিন গ্রাম্য আদালত সর্ম্পকে বিস্তারিত

গ্রাম্য আদালতের গঠন :
দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় ছোট খাটো বিরোধ বা বিবাদ খুবই দ্রুত নিষ্পতি করার উদ্দেশ্যে  ২০০৬ সালে ‘গ্রাম‌্য আদালত আইন’ পাশ করা হয় ।

গ্রাম্য আদালতের এখতিয়ার আধীন এলাকা:
গ্রাম্য আদালত আদেশ শুধু নিদিষ্ট ইউনিয়ানের এখতিয়ার ভুক্ত এলাকার জন‌্য প্রযোজ‌্য হবে ।

গ্রাম্য আদালতের সদস্য :
গ্রাম‌্য আদালত আইন, ২০০৬ এর ৫ ধারা অনুসারে গ্রাম্য আদালত গঠিত হবে । এক জন চেয়ারম্যান এবং উভয় পক্ষের মনোনীত ২ জন করে ৪ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম্য আদালত গঠন করা হবে। তবে সদস্যদের মনোনীত ২ জন সদস্যের মধ্যে ১ জন অবশ্যই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হতে হবে ।

আদেশের বিরোদ্ধে রিভিশন:
যদি কোন ব্যক্তি গ্রাম্য আদালতের আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়, তাহলে নিধারিত সময়ের মধ‌্যে আদেশের বিরোদ্ধে এখতিয়ারবান সহকারি জজ আদালতে রিভিশন করতে পারবে । এক্ষেত্রে রিভিশন আবেদন করার ৩০ দিনের মধ‌্যে সহকারি জজ তা নিষ্পতি করবেন ।
গ্রাম্য আদালত অবমাননার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি গ্রাম্য আদালতের আদেশ অবমাননা করে, তাহলে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে ।

আইনজীবি নিয়োগ:
গ্রাম্য আদালতে বিচার কার্য পরিচালনার জন্য কোন আইনজীবি নিয়োগ দেয়ার বিধান রাখা হয় নি।

লেখকঃ এনামুল হক
Department of Law
Dhaka International University, Bangladesh.

Monday, February 20, 2017

সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির নীতিমালা নিয়ে রুল

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৫:২ অনুপাত নীতিমালা অনুসরণ করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের ওই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এক রিটের শুনানি করে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ন কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।

আইনজীবী হুমায়ন কবির বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল বিধিমালায় বেসরকারি কলেজে নিয়োগপ্রাপ্ত সব প্রভাষক ৮ বছর পর সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়ার কথা রয়েছে।

২০১০ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্রের এক অংশে বলা হয় ‘এমপিওভুক্ত প্রভাষকগণ প্রভাষক পদে এমপিওভুক্তির ৮ (আট) বছর পূর্তিতে ৫:২ অনুপাতে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন। এতে মোট পদ সংখ্যা বাড়বে না, অর্থাৎ ৫ জনে ২ জন করে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন। যা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

পরিপত্রের এই অংশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত সপ্তাহে রিট করেন বগুড়ার দরগাহাট ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি বঞ্চিত মতিয়ার রহমানসহ ৭ জন প্রভাষক। সেই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত আজ রুল জারির নির্দেশনা দেন।

আইনজীবীরা প্রথম শ্রেণীর নাগরিক: আপিল বিভাগ

আইনজীবীরা প্রথম শ্রেণীর নাগরিক এবং অফিসার্স অব দ্য কোর্ট বলে জানিয়েছেন সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের আপিল বেঞ্চে রবিবার ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের আপিলের শুনানিকালে আদালত এ কথা বলেন।

রিটকারীদের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদকে উদ্দেশ্য করে আপিল বিভাগ বলেন, আপনারা আইনজীবীরা তো বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক। আপনারা মন্ত্রী, এ্যাম্বাসেডর, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক, এ্যাটর্নি জেনারেল হতে পারেন।

আদালত বলেন, ড. মো. শহীদুল্লাহ ৫২টি ভাষা জানতেন এবং ১৭টি ভাষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। কিন্তু তিনি তার নামের আগে বিজ্ঞ কথাটি লিখতে পারতেন না। আইনজীবীরা বিজ্ঞ শব্দটি ব্যবহার করতে পারেন।

ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের আপিলের অধিকতর শুনানিকালে আদালত এ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, জেলা জজদের সচিবের সমপর্যায়ের মান দিলে আপনার সমস্যা কী? এ বিষয়ে আপনি আপত্তি করেন কেন? এ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, জেলা জজদের যুগ্ম-সচিবের সমপর্যায়ের মান দেওয়া হয়েছে।
আদালতের শুনানিতে রিটকারীদের আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ জেলা জজদের পদক্রম সচিবের সমপর্যায়ে নিয়ে আইন করার নির্দেশনা দিতে আর্জি জানান।

প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় পদক্রমের (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস এ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মো. আতাউর রহমান ২০০৬ সালে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর জেলা জজদের পদমর্যাদা সচিবদের নিচে দেখানো কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সকে অবৈধ ঘোষণা করে ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি দেওয়া রায়ে ৮টি নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট।

সহকারী জজ হতে হলে আবেদনের যোগ্যতা

সহকারী জজ পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির এলএলএম ডিগ্রি উত্তীর্ণ হতে হবে। আইন বিষয়ে স্নাতক অথবা স্নাতক (সম্মান) অথবা এলএলএম ডিগ্রি পরীক্ষায় অবতীর্ণ প্রার্থীরাও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত শর্ত সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন। বয়স হতে হবে ১ মার্চ ২০১৬ তারিখে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক অথবা বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া
এ পদে আবেদনের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত সোনালী ব্যাংকের শাখাগুলো থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করে তা যথাযথভাবে পূরণ করে সচিব, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়, ১৫, কলেজ রোড, রমনা, ঢাকা ১০০০ ঠিকানায় নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সরাসরি বা ডাকযোগে বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পৌঁছাতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, তিন মাসের মধ্যে তোলা পাঁচ কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত রঙিন ছবি এবং পরীক্ষার ফি বাবদ ১০০০ টাকা সচিব, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের অনুকূলে ১-২১০১-০০০২-২০৩১ নম্বর কোডে বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা এর দায়িত্ব পালনকারী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিয়ে মূল কপি সংযুক্ত করতে হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি
আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রার্থীদের প্রথমে ১০০ নম্বরের প্রাথমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এই পরীক্ষায় সাধারণ বাংলা, সাধারণ ইংরেজি, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়সমূহ, সাধারণ গণিত, দৈনন্দিন বিজ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা ও আইন বিষয়ের ওপর প্রশ্ন করা হবে।

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের উপসচিব মো. আল মামুন জানান, আগে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে ৫৫ নম্বর লাগলেও এই নিয়োগে ন্যূনতম ৫০ নম্বর পেতে হবে। এবার নতুন নিয়মে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে, তাই পাস নম্বর কমানো হয়েছে বলে জানান আল মামুন। তিনি আরও বলেন, প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এরপর ১০০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

এর মধ্যে বাংলা বিষয়ে ১০০ নম্বর, ইংরেজিতে ১০০, গণিতে ৫০, দৈনন্দিন বিজ্ঞানে ৫০, বাংলাদেশ বিষয়গুলোতে ৫০ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। আর বাকি ৬০০ নম্বরে আইন-সংক্রান্ত বিষয়ে পরীক্ষা হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে গড়ে ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। মৌখিক পরীক্ষায় পাস নম্বর থাকবে ৫০। এসব পরীক্ষার তারিখ বিভিন্ন পত্রিকা ও কমিশনের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে জানানো হবে।

পরীক্ষা প্রস্তুতি
সহকারী জজ পদে সপ্তম ব্যাচে নিয়োগ পান মো. আরিফুল ইসলাম। পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, লিখিত পরীক্ষায় আইন অংশে ভালো করতে হলে পড়তে হবে প্রার্থীর সম্মান শ্রেণির আইন-সম্পর্কিত বইগুলো। তিনি বলেন, বাংলা অংশের জন্য নবম থেকে দশম শ্রেণির ব্যাকরণের অধ্যায়গুলো পড়লে প্রশ্ন পাওয়া যাবে। এ ছাড়া বিভিন্ন লেখকের নাম, উক্তি, জন্ম-মৃত্যু সালগুলো জানা থাকলে বাংলা অংশে ভালো করা যাবে। আর গণিতে ভালো করতে হলে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বইগুলো বারবার চর্চা করলে প্রশ্ন পাওয়া যাবে। ইংরেজির জন্য গ্রামারগুলো পড়তে হবে মনোযোগসহকারে। এই গ্রামার অংশ থেকেই বেশি প্রশ্ন থাকে। বাংলাদেশ-আন্তর্জাতিক বিষয় ও দৈনন্দিনবিজ্ঞানের জন্য বাংলাদেশ অংশে বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, জলবায়ু, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, বিভিন্ন জেলার আয়তন, অর্থনীতি ইত্যাদি সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। আর আন্তর্জাতিক অংশের জন্য বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা, সাম্প্রতিক ঘটনা থেকে প্রশ্ন পাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া বাজারে সাধারণ জ্ঞানের বিভিন্ন প্রকাশনীর বই ও দৈনিক পত্রিকাগুলো পড়লেও কাজে দেবে। আর বারবার চর্চা করতে হবে বিগত বছরের সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নগুলো।

মৌখিক পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। মৌখিক পরীক্ষায় ভালো করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। সেই সঙ্গে আইন বিষয়ে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, ইতিহাস, প্রার্থীর নিজ জেলা বা উপজেলার আয়তন, সংস্কৃতি, রাজনীতি, জনসংখ্যা, সাংসদের নাম ইত্যাদি সম্পর্কে
ধারণা থাকলে মৌখিক পরীক্ষায় ভালো করা যাবে বলে জানান আরিফুল ইসলাম।

সুযোগ-সুবিধা ও পদোন্নতি
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত একজন সহকারী জজ জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ অনুযায়ী ১৬০০০টাকা স্কেলে বেতন পাবেন। আল মামুন বলেন, জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে একজন সহকারী জজ পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়র জজ, যুগ্ম জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ ও জেলা জজ হতে পারেন।

লিখিত পরীক্ষার তারিখ ও নিয়োগ-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য ভিজিট করতে পারেন www.jscbd.org.bd এই ঠিকানায়।

Sunday, February 12, 2017

বিচার বিভাগ ও বিচারপতি



১. ভারতীয় উপমহাদেশে প্রতিষ্ঠিত ১ম সুপ্রিম কোর্টের ১ম প্রধান বিচারপতি কে?
উ: স্যার এলিজা ইমপে।
২. ভারতীয় উপমহাদেশে প্রতিষ্ঠিত ১ম হাইকোর্টের ১ম প্রধান বিচারপতি কে?
উ: স্যার বার্নেস পিকক।
৩. ১৯৪৭ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত ১ম হাইকোর্টের ১ম প্রধান বিচারপতি কে?
উ: এএসএম আকরাম।
৪. স্বাধীন বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ১ম সুপ্রিম কোর্টের ১ম প্রধান বিচারপতি কে?
উ: এএসএম সায়েম। 
৫. কলকাতা হাইকোর্টের ১ম বাঙালি বিচারপতি কে ছিলেন?
উ: শম্ভুনাথ পন্ডিত।
৬. কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম বাঙালি প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন? 
উ: স্যার রমেশচন্দ্র মিত্র।
৭. কলকাতা হাইকোর্টের ১ম মুসলিম বিচারপতি কে ছিলেন?
উ: স্যার সৈয়দ আমীর আলী।
৮. বাংলাদেশে একই সঙ্গে কখনও কি ২ জন প্রধান বিচারপতি ছিলেন?
উ: হ্যা ছিলেন। ১৯৭৬ সালের সামরিক আইন ২য় ঘোষণা আদেশ (১৯৭৬ সালের ৪ নং আদেশ) বলে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টকে দ্বিখন্ডিত করা হয়। দুটি সর্বোচ্চ বিচার বিভাগীয় স্বতন্ত্র স্থাপনা হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টকে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট এই ২ভাগে বিভক্ত করা হয়। তৎকালিন দায়িত্ব পালনরত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ এ বি মাহমুদ হোসেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং বিচারপতি রুহুম ইসলামকে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করা হয়। ১৯৭৭ সালের সামরিক আইন দ্বিতীয় ঘোষণা আদেশ(১০ম সংশোধনী) বলে (১৯৭৭ সালের ১নং ২য় ঘোষণা আদেশ) শীর্ষ পর্যায়ের আদালত দুটির একত্রীকরণ করা হ। একত্রীকরণ পর্যন্ত উপরোক্ত ২ জন প্রধান বিচারপতি স্ব - স্ব পদে বহাল ছিলেন। 
৯. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট উদ্বোধন করা হয় কখন?
উ:১৮ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে। (১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধান কার্যকর হওয়ার পূর্বে কোন সুপ্রিম কোর্ট ছিলনা তখন ছিল ক. বাংলাদেশ হাইকোর্ট; খ. বাংলাদেশ হাইকোর্টের আপীল বিভাগ)। 
১০. ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৩৪ সালে গঠিত ১ম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
উ: থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে।

Thursday, January 19, 2017

দুই ভাগ হল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

'জননিরাপত্তা বিভাগ' ও 'সুরক্ষা সেবা বিভাগ' নামে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দুটি ভাগ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।


এতে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা বিভাগের অধীনে থাকছে আইনশৃংখলা বাহিনী পরিচালনা ও তদারকি সংক্রান্ত বিষয়।

বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, তদন্ত সংস্থা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার এ বিভাগের আওতাভুক্ত থাকবে।

অন্যদিকে সুরক্ষা সেবা বিভাগের অধীন থাকবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর, কারা অধিদফতর এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর।

জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধকালে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী সরকার গঠনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ সরকারের যাত্রা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যাত্রা হয়।

যুদ্ধকালে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি এত ব্যাপক ছিল না। ১৬ ডিসেম্বরের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর ঢাকায় সচিবালয় স্থানান্তর করা হয়।

সূত্র জানায়, বছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ বড় কয়েকটি মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন করতে অনুশাসন দেয়া হয়।

প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়গুলোকে ভাগ করে প্রতিটিতে তৈরি করা হচ্ছে দুটি করে বিভাগ। প্রতিটি বিভাগের দায়িত্বে একজন সচিব থাকবেন।

সে অনুযায়ী গত বছরের ৩০ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পুনর্গঠন করে দুটি বিভাগ গঠন করা হয়েছে।

এর একটি ‘মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ’, অপরটি ‘কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ’।

Friday, July 01, 2016

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩


(১) প্রত্যেক সন্তানকে তাহার পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিতে হইবে।
(২) কোন পিতা-মাতার একাধিক সন্তান থাকিলে সেইক্ষেত্রে সন্তানগণ নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করিয়া তাহাদের পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিবার ক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তানকে পিতা-মাতার একইসঙ্গে একই স্থানে বসবাস নিশ্চিত করিতে হইবে।
(৪) কোন সন্তান তাহার পিতা বা মাতাকে বা উভয়কে তাহার, বা ক্ষেত্রমত, তাহাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে, কোন বৃদ্ধ নিবাস কিংবা অন্য কোথাও একত্রে কিংবা আলাদা আলাদাভাবে বসবাস করিতে বাধ্য করিবে না।
(৫) প্রত্যেক সন্তান তাহার পিতা এবং মাতার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ খবর রাখিবে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা ও পরিচর্যা করিবে।
(৬) পিতা বা মাতা কিংবা উভয়, সন্তান হইতে পৃথকভাবে বসবাস করিলে, সেইক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তানকে নিয়মিতভাবে তাহার, বা ক্ষেত্রমত, তাহাদের সহিত সাক্ষাত করিতে হইবে।
(৭) কোন পিতা বা মাতা কিংবা উভয়ে, সন্তানদের সহিত বসবাস না করিয়া পৃথকভাবে বসবাস করিলে, সেইক্ষেত্রে উক্ত পিতা বা মাতার প্রত্যেক সন্তান তাহার দৈনন্দিন আয়-রোজগার, বা ক্ষেত্রমত, মাসিক আয় বা বাৎসরিক আয় হইতে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ পিতা বা মাতা, বা ক্ষেত্রমত, উভয়কে নিয়মিত প্রদান করিবে।
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করিবার দণ্ড
৫। (১) কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে; বা উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
Father-২০১৩ ভরণ-parents ' opinion, the law 
(1) the parent of each child his father-ভরণ-sure, that করিতে হইবে. 
(2) no more than one child the parent থাকিলে সন্তানগণ সেইক্ষেত্রে-the father of their Conference by doing তাহাদের ভরণ-করিবে sure that the parent-father. 
(3) the parent ভরণ this under father-the series-the parent of each child in করিবার sure that father living in the same place একইসঙ্গে হইবে করিতে sure-. 
(4) a child his father or মাতাকে or উভয়কে ', or ক্ষেত্রমতAfter তাহাদের, নিবাস or the other, against a different live separately or together somewhere করিতে করিবে not obey his father and each child 
(5). the parent regularly about health for the necessary medical services and পরিচর্যা রাখিবে news, করিবে. 
(6) parent or both, children live separately from করিলে, সেইক্ষেত্রে, ক্ষেত্রমত, or তাহাদের, ' every child with the regular meeting করিতে হইবে. 
(7) a parent or both were Live to the fullest, children not living with the করিলে, the parent of that সেইক্ষেত্রে father or separately to each child, ' business income-income, or ক্ষেত্রমত, the amount of monthly income or the income from his mind the meaning of the reasonable parent, or ক্ষেত্রমত, উভয়কে parent ভরণ করিবে provide the father regularly-not that করিবার bar-5. (1) a child of a sub-3 series by the series of the provision or series 4 of provision their desire for that crime and হইবে treated বলিয়া crime অনূর্ধ্ব 1 (a) of money অর্থদণ্ডে by হইবে; Or in the case of অনাদায়ের that অর্থদণ্ড অনূর্ধ্ব 3 (three) month term কারাদণ্ডে হইবে. 

Contact Form

Name

Email *

Message *